OPSIS একটি শিক্ষার্থী ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার। বোর্ডের নীতিমালা অনুসরণ করে পরীক্ষার ফলাফল তৈরির পাশাপাশি ছবিসহ সহজ উপায়ে শিক্ষার্থীর বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে OPSIS একটি অদ্বিতীয় সফটওয়্যার। বাণিজ্যিক মানের উন্নত সফটওয়্যার হলেও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কোন প্রকার শর্ত ছাড়াই বর্তমানে সফটওয়্যারটি সরবরাহ করা হচ্ছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। সফটওয়্যারটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যাবলী:

১. ছবিসহ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ।

২. পরীক্ষার সময় আসন বিন্যাসের সুবিধার্থে প্রতিটি শিক্ষার্থীর রোল নং, নাম, শ্রেণি ও শাখাসহ আসন বিন্যাস প্রিন্টের সুবিধা।

৩. ছবিসহ প্রতিটি শিক্ষার্থীর নামে প্রবেশপত্র প্রিন্টের ব্যবস্থা। এছাড়াও রয়েছে পরীক্ষার রুটিন সংযুক্ত করার সুবিধা।

৪. শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর এন্ট্রির পর সিস্টেমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যেসব কাজ করবে:

ক. কৃতকার্য ও অকৃতকার্য বিষয়ের সংখ্যা নির্ধারণ।

খ. কৃতকার্য বিষয়ের গ্রেড পয়েন্ট নির্ধারণ।

গ. সকল বিষয়ের গড় জিপি নির্ধারণ।

ঘ. প্রতিষ্ঠানে সংগ্রহের সুবিধার্থে টেবুলেশন শিট তৈরি।

ঙ. পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি শিক্ষার্থীর নামে আলাদা কৃতিত্ব প্রতিবেদন তৈরি।

চ. দৃষ্টি আকর্ষণের সুবিধার্থে জিপি ৫.০০-কে সবুজ রং এবং জিপি ০.০০-কে লাল রং দ্বারা চিহ্নিতকরণ।

ছ. মন্তব্য কলামে অকৃতকার্য অনুপস্থিত শিক্ষার্থী সম্পর্কে স্বয়ংক্রিয় মন্তব্য।

জ. পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি শিক্ষার্থীর শ্রেণি/শাখা অনুযায়ী যথাযথ মেধাস্থান নির্ণয়।

ঝ. বিদ্যালয়ে সংরক্ষণের স্বার্থে টেবুলেশন শিটে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর মেধাস্থান উল্লেখ করা হলেও তাদের জন্য প্রিন্টকৃত কৃতিত্ব প্রতিবেদনে তা উল্লেখ থাকবে না।

ঞ. পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর এন্ট্রি দেয়ার পর চাহিদা অনুযায়ী নম্বর এবং জিপিএ উভয় পদ্ধতিতে মেধাস্থান নির্ধারণ।

ট. মেরিট লিস্ট প্রিন্ট।

ঠ. সর্বোপরী বোর্ডের নীতিমালা যথাযথ অনুসরণপূর্বক নির্ভুল ফলাফল তৈরি।

৫. সফটওয়্যারটি অফলাইনভিত্তিক হলেও শিক্ষার্থীর ফলাফলসহ অন্যান্য তথ্য অভিভাবকের মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমে পাঠানোর ব্যবস্থা (শুধুমাত্র এসএমএস পাঠানোর সময় কম্পিউটারে ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে)।

৬. ফলাফলসহ সকল রিপোর্টের পিডিএফ তৈরির ব্যবস্থা।

৭. এক শ্রেণি থেকে অন্য শ্রেণিতে মাইগ্রেশন সুবিধা। ফলে একই শিক্ষার্থীর তথ্য প্রতিবছর টাইপ করতে হয় না। বার্ষিক পরীক্ষার পর শ্রেণি মাইগ্রেশন প্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের নতুন শ্রেণিতে, অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীকে পূর্বের শ্রেণিতে এবং বিদ্যালয় ত্যাগকারী শিক্ষার্থীর পুরাতন তথ্য অক্ষত রেখে নতুন শিক্ষাবর্ষে তথ্য সংযোজন না করা। বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নতুন শিক্ষাবর্ষে শাখা ও বিভাগ পরিবর্তনসহ অনেক কারণেই পরীক্ষার মেধাস্থানটি পরবর্তী শ্রেণিতে পরিবর্তন করতে হয়। তাই পরবর্তী শ্রেণিতে রোল নং কত হবে তা ম্যানুয়ালী দেয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

৮. একজন শিক্ষার্থীর ভর্তি থেকে শুরু করে বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সকল পরীক্ষার রিপোর্ট ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণের সুযোগ।

৯. সারাদেশের অভিজ্ঞ ডিজিটাল শিক্ষকগণের পরামর্শ ও পারস্পরিক উন্মুক্ত আলোচনার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে যোগ হচ্ছে নতুন নতুন গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে কলেজ পর্যন্ত শতশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান OPSIS ব্যবহার করছে সন্তুষ্টির সাথে।